ভারতবর্ষে মুসলমানদের অবদান সমূহ

742

ভারতবর্ষে মুসলমানদের অবদান সমূহ- বিষয়টি সঠিকভাবে বা বিস্তারিত আলোচনা করতে গেলে  হয়ত কয়েকটি গ্রন্থ লেখা হয়ে যেতে পারে । কারণ ভারতবর্ষে  মুসলমানদের আগমন ছিলো বিশ্ব ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা । ইসলাম ভারত বিজয়ের পূর্বেই দ:এশিয়ায় ইসলামের আবির্ভাব ঘটেছিলো । সপ্তম শতাব্দীর প্রথম ভাগ থেকেই  আরবের বণিক সম্প্রদায়ের মাধ্যমেই ভারতবাসী ইসলাম সম্পর্কে  অবহিত হতে শুরু করে ।  ৬২৯ খ্রীষ্টাব্দে মুহাম্মদ(সা:) (৫৭১–৬৩২ খ্রি.) এর জীবদ্দশাতেই ভারতে প্রথম মসজিদ স্থাপিত হয়। চেরামন পেরুমল নামে জনৈক ধর্মান্তরিত মুসলমানের নির্দেশে কেরলের ত্রিসূর জেলায় মালিক বিন দিনার এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। উল্লেখ্য, পেরুমলকেই প্রথম ভারতীয় মুসলমান বলে মনে করা হয়। ৬৯ হিজরী সনে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম মসজিদ নির্মিত হয়েছিল এদেশের লালমনিরহাটে ***।

আমরা সংক্ষেপে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি ভারতবর্ষে মুসলমানরা যে সকল ক্ষেত্রে অবদান রেখেছে সেগুলোকে –

ইতিহাস সৃষ্টিতেঃ মুসলমানগণ ভারতে আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানের অনেক শাখা প্রবর্তন করেন, যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ইতিহাস । তখন পর্যন্ত ইতিহাস লিখন ও চর্চার সাথে ভারতবর্ষ অপরিচিত ছিলো । সত্যিকার অর্থে ইতিহাস বলা যায়- এমন কোন প্রমানিক গ্রন্থ ভারতে পাওয়া যেতনা; কেবল ধর্মীয় কাহিনী, দেব দেবীর কাহিনী নির্ভর গল্প, যুদ্ধের ঘটনা নির্ভর স্ততি, মহাকাব্য বিশেষত রামায়ন ও মহাভারতের কপি সহজলভ্য ছিলো ।

Dr. Gustave len Bon-ভারতীয় সভ্যতা নামক গ্রন্থে বর্ণণা করেন –

“প্রাচীন ভারতবর্ষের কোন ইতিহাস নাই । যেসব গ্রন্থ পাওয়া যায় তাতে ইতিহাসের তথ্য উপাত্ত নাই । কতিপয় ধর্মীয় গ্রন্থ দৃষ্টিগোচর হয়- যেখানে ইতিহাসিক ঘটনাবলির রুপক ও কিচ্ছাকাহিনীর স্তুপের নিচে চাপা পড়ে আছে । যে সব প্রাচীন প্রাসাদ ও স্মুতি সৌধ রয়েছে সেগুলোও শূন্যতা পূরণে কোন ভূমিকা রাখতে পারেনি, কারণ এগুলোখ্রীষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকের পূর্বের নির্মিত। প্রাচীন ভারতবর্ষের ঘটনাবলি ও ইতিহাস উদ্ধার করা কঠিন যেভাবে আটলান্টিক দ্বীপ উদ্ধার করা কষ্টসাধ্য । প্লেটোর মতে উক্ত দ্বীপটি পৃথিবীর পরিবর্তনে ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। ” 

তিনি আরো বলেন “ ভারতবর্ষে ইতিহাসিক যুগ শুরু হয় মূলত মুসলমানদের সেনা অভিযানের পরই এবং মুসলমানরাই ভারতের প্রথম ইতিহাসবিদ । ”

সম্রাট বাবরের দৃষ্টিতে ভারত :মুঘল সালতানাতের প্রতিষষ্টাতা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর (১৮৪৩-১৫৩২) এদেশে মুসলমানদের আগমন পূর্ব অবস্থার ব্যাপক চিত্র তুলে ধরেন, যা অধ্যয়ন করলে সম্যকরুপে বোঝা যাবে মুসলমানগণ নিজেদের উন্নয়ন তৎপরতা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে এ দেশেকে কোথঅ থেকে কোথা নিয়ে গেছে । বাবার তার আত্মজীবনী “তুযুক-ই-বাবরী” তে লেখেন যে-:

ভারতে উন্নত ঘোড়া নেই, ভালো গোশত নেই, আঙ্গুর নেই, তরমুজ নেই, বরফ নেই, শীতল পানি নেই, শৈৗচাগার নেই, মোমবাতি নেই, বাতি রাখার পাত্র নেই, মশাল নেই । মোমবাতির পরিবর্তে লোকেরা কাদা মাটি বা লোহার তৈরি পিদিম ব্যবহার করতো । সষিার তৈর ও জালানী হিসেবে ব্যবহার হতো । এই পিদিমটি তিন পা বিশিষ্ট । এক পা তে বাতিদানের মুখের আকৃতিতে একটি লোহার কাঠ স্খাপন করা থোকে । রাতের বেলা রাজা মহারাজাদের যদি আলোর প্রয়োজন পড়তো, তখন পরিচারকগণ এ স্থুল পিদিম নিয়ে দাড়িয়ে থাকতো ।

বাগান ও প্রাসাদে পান প্রবাহের কোন সুব্যবস্থা নাই । প্রাসাদগুলোতে সৌন্দর্য, সামন্জস্য, পরিচ্ছন্নতার অভাব রয়েছে এবং এতে বাযূ চলাচলের ব্যবস্থা নেই । মহিলার পড়তো ধূতি আর এক অংশ দিয়ে পা পর্যন্ত ডেকে রাখতো । এবং অপর অংশ ছড়িয়ে দিতো মাথার ওপরে । ” 

ভারতের সাংস্কৃতিক বিছিন্নতা ও পশ্চাদপদতা বিষয়ে বাবরের পর্যবেক্ষনের উপর মন্তব্য করতে গিয়ে পন্ডিত জওহর লাল নেহেরু বলেন-

“ বাবরের লিখিত ইতিহাস থেকে উত্তর ভারতের সাংস্কৃতিক দারিদ্রতার বিবরণ আমরা পাই । এর পেছনে অংশত কারণ ছিলো তৈমুর লঙ্গের ধ্বংসাত্মং তৎপরতা এবং অংশত শিল্পী, কারিগর ও বিজ্ঞ ব্যক্তিদের দলবদ্ধভাবে দক্ষিণ ভারতে গমন । এ অধপতনের পেছনে আরেকটি কারণ হচ্ছে, ভারতীয় জনগণের সৃষ্টিধর্মী প্রতিভা শুকিয়ে গিয়েছিলো । বাবরের মতে এদেশে কাারিগর ও শিল্পীর অভাব নাই কিন্তু তাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা ও যান্ত্রিক আবিষ্কারের দক্ষতার অভাব রয়েছে । “ 

ফলমূলের উন্নয়ন: বর্তমানে আম ভারতের বিখ্যাত ও সুস্বাদু ফল । মুঘলদের পূর্বে  ভারতে শুধু “তুখমী” নামক একটি জাতের আম ছিলো । মুঘলরা বিভিন্ন প্রজাতির আমের পরাগায়ন ও কলমের মাধ্যমে অত্যন্ত সুন্দর ও সুমিষ্ট ও সুস্বাদু আমের উদ্ভাবন করেন ।

কৃষি, বাণিজ্য ও শিল্প: ভারতের বিখ্যাত ইতিহাসবিদ মাওলানা সাঈয়িদ আব্দুল হাই (রহ:) “নুযহাতুল খাওয়াতির” গ্রনেথ সুলতান মাহমুদ গুজরাটি প্রসঙ্গে বলেন :

“দেশের উন্নয়নে সুলতানের নজীরবিহীন অবদানের মধ্যে মসজিদ ও বিদ্যালয় নির্মানও কাগজ এবং ওৗষধি বৃক্ষের চাষ অন্তর্ভক্ত । এসব কাজের জ্য তিনি জনগণের মাঝে উদ্দীপনা সৃষ্টি করেন । সেচ সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য তিনি বিপূল কূপ ও খাল খনন করেন । ইরান ও তূকীস্থান হতে অনেক দক্ষ শিল্পী  ও অভিজ্ঞ কারিগর এসে এখানে শিল্প কারখানা স্থাপন করেন । কূপ ও প্রসবন ধারার কল্যানে গুজরাট ভরে ওঠে সবুজের সমারোহে । বাড়গন্ত বাগান, নিবিড় বৃক্ষ এবং সুমিষ্ট ফল পর্যপ্তি পরিমানে উৎপন্ন হতে থাকে । এছাড়া গুজরাট গুরুত্বফূর্ণ ব্যবসা কেন্দ্ররুপে খ্যাতি লাভ করে । সেখান থেকে বিদেশে বস্ত্র রপ্তানী করা হতো । এসব ছিলো জনগণের কল্যান সাধনে সুলতান মাহমুদের নিরলস প্রয়াস ও ওইকান্তিক আগ্রহের বহি:প্রকাশ

আকবর ও শেরশাহের সংস্কার: সম্রাট আকবরের সময়ে কাপড় তৈরির কারখানা গড়ে ওঠে  ভারতের সর্বত্র । মুঘল সম্রাটগণ ভূমি জরিপ, রাজস্ব নির্ধারণ ও সংগ্রহের মাধ্যমে কৃষি সংস্কার সাধন করেন ।  শের শাহ ও আকবর তাদের রাজত্বকালে নতুন মুদ্রা প্রবর্তনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে  যে অগ্রগতি সাধন করেন, ইতিপূর্বে ভারতের আর কেই করেনি

জনকল্যান মূলক কাজ : তুযুক-ই-জাহাঙ্গিরী ও আইন-ই-আকবরী ওইতিহাসিক গ্রন্থে আমরা বিস্তারিত বিবরণ পেতে পারি । মাওলানা সাইয়িদ আব্দুল হাই হাসানী (রহঃ) তারঁ জান্নাতুল মাশরিক নামক তথ্য নির্ভর বিখ্যাত গ্রন্থে ভারতে মুসলিম যুগে স্থাপিত হাসপাতাল, পুর্নবাসন কেন্দ্র সহ বিভিন্ন জনক্যানমূলক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের এক দীর্ঘ তালিকা প্রদান করেন ।

ভারতীয় উপমহাদেশের পশ্চিমাঞ্চলের সাথে  পূর্বাঞ্চলের সংযোগ রক্ষাকারী  সব মহাসড়কই নির্মিত হয়েছে মুসলিম রাজা বাদশাহদের শাসন আমলে । এর মধ্যে বিখ্যাত হচ্ছে  শেরশাহ শূরী নির্মিত গ্রান্ড ট্রান্ক রোড । এই মহাসড়কটি বিস্তৃত ছিলো বায়লাদেশের সোনারঁগা হতে পাকিস্তানের নিলাব পর্যন্ত ৩০০০ মাইল বা ৪৮৩২ কিলোমিটার ।

পরিচ্ছন্নতা ও উন্নত জীবনধারা: মুসলমানগণ পরিচ্ছন্নতা ও উন্নত জীবনধারার সাথে ভারতের আদিবাসীদের পরিচয় করে দেন । ভারতীয়রা রুচিবোধ, সংস্কৃতিপ্রীতি, খাদ্য পানীয়, স্বাস্থ্যবিধি, পানি নিষ্কাশন, বায়ু চলাচলের পথযুক্ত গৃহ নির্মান কৌশল ও রকমারি আধুনিক তৈজসপত্রের ব্যবহার মুসলমানের নিকট থেকে শিক্ষা লাভ করে । এর আগে ভারতীয়রা খাওয়া দাওয়ার ক্ষেত্রে  এমনকি দাওয়া ও ভোজসভায় প্লেটের পরিবর্তে পাতা ব্যবহার করতেন ।  এক কথায় মুসলমানরা ভারতের সামাজিক রীতি, জীবনাচার, গাহস্থ্য সুখ ও গৃহসজ্বায় বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসেন ।

১৯৪৮ সালে জয়পুরে অনুষ্টিত ন্যাশনাল কংগ্রেসের ৫৫তম অধিবেশনে সভাপতির ভাষণ দিতে গিয়ে কংগ্রেসের তৎকালীন চেয়ারম্যান ড: পাথূবী সিতা রামাইয়া একই অভিমত ব্যক্ত করেন । নিম্নোক্ত ভাষায়:

মুসলমানগণ আমাদের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছেন, প্রশাসনকে সুসংহত করেছেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসমূহকে এক অপরের সাথে সংযোগ সাধনে সফলতা অর্জন করেছেন। ভারতের সাহিত্য ও সামাজিক জীবনে তাদের প্রভাব সুগভীর ।

চিকিৎসা বিজ্ঞানে অবদান: মুসলমানগণ ভারতবর্ষে  ইউনানী চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে আসেন । আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কারের আগে রোগ নিরাময়ে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত, অতি উন্নত ও বিজ্ঞান নির্ভর ছিলো এ পদ্ধতি । এবং এখানেই মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠতম চিকিৎসক ও ভেষজ বিজ্ঞানী জন্ম নিয়ে ছিলেন । মুসলমানদের পতনকালে দিল্লী ও লক্ষ্নৌ ছিল ইউনানী চিকিৎসার বিখ্যাত কেন্দ্র ।  

ড. স্যার যদুনাথ সরকার Islam in India শীর্ষক গ্রন্থে  ভারতের জন্যে মুসলমানদের প্রদত্ত ১০টি বড় অবদানের কথা উল্লেখ করেন ।

  • বহিবিশ্বের সাথে ভারতের সংযোগ সাধন ।
  • রাজনৈতিক ওইক্য, সংস্কৃতি, ও পেশাকে সংগতি
  • একটি সাধারণ সরকারি ভাষা, গদ্যের সহজ ও সরল রীতি- যার উন্নয়নে হিন্দু মুসলিম উভয়ে অংশ নেয়
  • কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে আঞ্চলিক ভাষা সমূহের  উৎকর্ষ সাধন যাতে শানিত, সমৃদ্ধি ব্যপকতর রুপ ধারণ করে এবং সাহিত্য সংস্কৃতি উন্নয়নে সুযোগ লাভ  করা যায়
  • সামুদ্রিক বাণিজ্যের পুনুরুজ্জীবন-যা মীলত দাক্ষিণাত্যের জনগণের হাতে ছিলো
  • ভারতীয় নৌবহর গঠন

বস্তুগত আধ্যাত্বিক অগ্রগতি: ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমানদের বস্তগত ও আধ্যাত্বিক অবদনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করতে গিয়ে প্রখ্যাত মুসলিম বিদ্বেষী লেখক ডঃ স্যার উইলিয়াম হান্টার বলেন – আংশিক তুলে ধরা হলো – কোন পর্যটক যদি উল্লিখিত অঞ্চল সমূহ পরিভ্রমন করেন, তাহলে আজো প্রত্যন্ত বনজঙ্গলে জলাধার মসজিদ,পাকা সড়ক বেড়িবাধ, লক্ষ্য করবেন । তাাঁরা যেখানেই গেছেন, ধর্ম প্রচার করেছেন আংশিক তরবারির সাহায্যে এবং মানব প্রকৃতির দুটি গুরুত্বপূর্ণ সহজাত প্রবৃত্তির সাহসঅ আন্দোলনের মাধ্যমে । হিন্দুরা গঙ্গা বদ্বীপের উভয় তীরে বসবাসরত জনগোষ্টীকে ভ্রাতৃত্ববোধে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন নি । মুসলমানগণ ব্রাক্ষ্মন-অচ্ছ্যুৎ নির্বিশেষে সব মানুষের সামনে ইসলামের সামাজিক সাম্যভিত্তিক তুলে ধরেন ।

উজ্বল আলোবর্তিকা: বিশিষ্ট ভারতীয় বুদ্ধিজীবি ও উচ্ছ পদস্থ সরকারী কর্মকর্তা এন, এস, মেহতা Islam & the Indian Civilization  নামক নিবন্ধে ভারতীয় জনগোষ্ঠীর প্রতি ইসলামের অবদান মূল্যায়ন করতে গিয়ে বলেন ।-

ইসলাম ভারবর্ষে একটি উজ্বল আলোকবর্তিকা নিয়ে আসে, যা অন্ধকার থেকে মানবতাকে এমন সময়ে উদ্ধার করে যখন প্রাচীন সভ্যতা পতনোন্মেুাখ এবং উন্নত নৈতিক আদর্শ সমূহ কেবল নিরস বুত্ধিবৃত্তিক ধারণার েমধ্যে সংকুচিত হয়ে পড়ে । অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও ইসলাম বিজয়রাজনীতির চাইতে  বুদ্ধি ও চিন্তার জগতে বিস্তৃতি লাভ করেছে ।


আরো পড়তে পারেন- সৌদি আরবের বিষ্ময়কর ২১টি অজানা তথ্য*


নিবন্ধটি ধারাবহিকভাবে আপডেট করা হবে । এই নিবন্ধনটির মানোন্নয়নে আপনাদের সুচিন্তিত মতামত/মন্তব্য/পরামর্শ  উপদেশ একান্ত কাম্য ।

Ref:

  • -দ. এশিয়ার প্রথম মসজিদটি বাংলাদেশে!-প্রথম আলো
  • ভারতে প্রথম মসজিদ-উইকিপিডিয়া
  • ভারতবর্ষে মুসলমানদের অবদান-সাইয়িদ আবুল হাসান আলী নাদভী
  • Jawaharlal Nehru, the discovery of india, p.218
  • সুত্র: তুযুক – ই -বাবরী  ও  তুযুক – ই জাহাঙ্গীরী
  • মাওলানা সাঈয়িদ আব্দুল হাই, নুযহাতুল খাওয়াতির, ৪র্খ খন্ড, পৃ: ৩৪৬
  • মাওলানা সাইয়িদ সাবা আব্দুর রহমান সংকলিত “হিন্দুস্তানকে আহদে উসতা কি এক ঝলক” গ্রনেথ এন এস মেহতার নিবন্ধ  Islam & the Indian Civilization পৃঃ ৩১৬

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY