একজন উদ্যোক্তা কি ধরনের উদ্যোগ গ্রহন করবেন, কোন পণ্য বা সেবা উৎপাদন বা বিক্রি করবেন এই সিদ্ধান্তটি হঠাৎ করে বা তাৎক্ষনিকভাবে নেয়ার বিষয় না । এই সিদ্ধান্ত গ্রহন প্রক্রিয়াকে বলা হয় ব্যবসার সম্ভাব্যতা যাচাই । ব্যবসার সম্ভাব্যতা যাচাই না করে ব্যবসা শুরু করলে তা কোন দিন লাভজনক হবে না । তাই ব্যবসা শুরু করার পূর্বেই এর সম্ভাব্যতা যাচাই করা প্রয়োজন ।

5

সম্ভ্যাব্যতা / চাহিদা যাচাই

পণ্য নির্ভর বাজার চাহিদা; বাজার সম্ভ্যাবতা / চাহিদা করতে হবে যে সব পণ্য বা সেবা প্রাথমিক ভাবে বাছাই করা হয়েছে তার নিরিখে ।

4

প্রযুক্তিগত এবং কারিগরী প্রয়োজন সমূহ

প্রযুক্তি ও কারিগরী বিষয়াদি নির্ভর করবে উদ্যোগটি উৎপাদনমুখী নাকি কেনা বেচা বা বাণিজজ্যমুখী তার উপর । এ ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়গুলি হচ্ছে জমি অধিগ্রহন, বাড়ি ভাড়া, বিদ্যুৎ পানি ইত্যাদি প্রাপ্তির নিশ্চয়তা, যোগাযোগ, স্থানীয় ব্যাংক, স্থানীয় উৎপাদনমুখী কর্মকান্ড আছে কিনা ইত্যাদি ।

3

মূলধন এবং অন্যান্য আর্থিক প্রয়োজন সমূহ

যে কোন ধরণের উদ্যোগের সম্ভ্যাব্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে মূলধন একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান । কারণ মূলধন বা আর্থিক ভিত্তির উপর নির্ভর করবে উদ্যোগের আকার কি হবে এবং অবশ্যই মূলধন প্রাপ্তির উৎস ও প্রবাহ সম্পর্কে বিস্তারিত নিশ্চিত করা আবশ্যক । স্থায়ী মূলধন, চলতি মূলধন, প্রকল্পের অর্থায়ন এবং মুনাফা প্রাক্কলন ইত্যাদি বিষয়গুলি একটি উদ্যোগের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের মূল উপাদান ।

 

2

বাণিজ্যিক রীতিনীত ও আইনগত বিষয়াদি

উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে লাইসেন্স করা, পরিবেশগত বিধিমালা, বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ ব্যবহারের নীতিমালা জানা ও মেনে চলা আবশ্যক । কোন পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে সরকারী নীতিগত সমর্থন কিংবা সরকারী নীতি এর বিপক্ষেও যেতে পারে । এসব বিষয়ে খোঁজ খবর নেয়া ভালো ।

1

পারিবারিক ও সামাজিক দিক থেকে বিবেচ্য বিষয়

প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার সাথে এ বিষয়গুলো সম্পৃক্ত । সকলেরই নানাবিধ সামাজিক ও পারিবারিক দায়-দায়িত্ব ও অঙ্গিকার থাকে । সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে এ বিষয়টি বিবেচনায় আনা প্রয়োজন ।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY